Sunday, 11 December 2011

এই দেশের ক্রিকেট কি কোন অথর্বতায় ভুগছে !!!

ক্রিকেট সেই খেলা যেখানে প্রতিটি প্লেয়ার কে থাকতে হয়ে মনজাগতীক সব ধরনের চাপের উর্ধে থেকে , বাঙ্গালীর আবেগঘন মানুষীকতা এই ধরনের দ্রুত ক্রিয়াশীল এবং তার চেয়েও আরো দ্রুত পরিবর্তনশীল এই খেলা কতটা কতটা মানানসই সেটাই প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে দেখা দিছ্ছে বর্তমান পাকিস্তান বাংলাদেশ সিরিজে ।
আমরা বোধ হয়ে সেই হাডুডু খেলার দিন গুলি থেকে বেশী দুর বের হয়ে আসতে পারি নাই । আমাদের এক শ্রেনীর লোক চলনে বলনে কথনে অনেক স্মার্ট মনে হলেও বাস্তবে তারা যে কত মান্ধাতার অন্ধকার যুগে বাস করছে , এই সিরিজই তার এক জ্বলন্ত প্রদর্শন ।
কতটা ওপেশাদার সুলভ , অবাস্তব মানুষীকতা থাকলে আশরাফুলের মত একজন ম্যাচ লুজার কে দলে রাখা যায় এটাই কি দৃষ্টান্ত হীসাবে যথেষ্ট নয় কি ? পুরো টিম টেম্পারমেন্ট নষ্ট করার জন্য শুধু এই সিদ্ধান্তই কি যথেষ্ট নয় ? বিজয়ের চল্লিশ দশকে এই ধরনের টিম কম্বিনেসন , টিম টেম্পারমেন্ট উপহার দেওয়ার জন্য পুরো ম্যানেজম্যান্ট অতিঅবশ্যই কৃতীত্ত্ব দাবী করে বসতে পারেন । কি বিচিত্র এ দেশ । দেশ প্রেম বোধ তো একেবারেই গৌন , আমাদের আত্মঅহং বোধ জাগানীয়া মনুষীকতাও কি বিলীন হয়ে গেছে !!

Saturday, 10 December 2011

পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে তার প্রমান চেয়ে তাদের বিব্রত করার কি খুবই দরকার !!

এই সরকারের রাজনৈতীক একটা প্রধান অঙ্গীকার পদ্মা সেতুর কাজের প্রায় অনেকখানি এগয়ে যাওয়ার পর গত চার পাচ মাসে প্রায় স্হবীরতা নেমে আসে , ইতীমধ্যে যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল সাহেব চলে যাওয়ায় এই খাতের কাজ আবার হয়েতো শুরু হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিছ্ছে , এমতবস্হায় দাতা গোষ্টি যারা এই প্রকল্পের সাথে অতপ্রত ভাবে জড়িত , তাদেরকে তীর্য্যগ ভাষায় কোন প্রমানাদী চাওয়া, প্রকারন্তরে পুরো বিষয় টাকে আবার ও অনাশ্চয়তার মধ্ধে ঠেলে দেওয়ার মত অবস্হায় নিয়ে যেতে পারে ।
সরকারের উচিৎ যে কোন ভাবে পুরো ব্যাপারটিকে চলমান রেখে কাজটাকে এগিয়ে নেওয়া ।

প্রবাসে বাংলাদেশের ক্যাব চালক শামীমের অনন্য সফলতা :: বাংলাদেশকে আরো একটা ভিন্ন মাত্রা দিল :: সাবাস শামীম সাবাস

অভাগা এই বাঙ্গালী জাতীর একটা বড় দুর্ভাগ্য এটাই যে কোন প্রাপ্তি হাতের নাগালে এসেও সেটা অধরাই থেকে যায় । অগচরে কে যেন একটা ক্রূর হাসি হেসে যায় । এবার কিন্তু যুক্তরাষ্ট প্রবাষী বংলাদেশের ট্যক্সি চালক তাকে সেই হাসি হাসতে দেয় নি । সাবাস শামীম সাবাস , বাঙ্গালীরা যে লড়াকু জাতী , স্মার্ট জাতী ছয় দিনের এক টানা দুর্দান্ত ট্যক্সি ড্রাইভে আপনি তা তুলে ধরেছেন ।
যেভাবে টমী মিঞা, বিবি রাসেলরা বংলাদেশকে তুলে ধরতে বিভিন্ন ফ্রন্ট ওপেন করে চলেছেন সেখানে আপনিও নুতন মাত্রায় একটা নুতন ফ্রন্ট ওপেন করেছেন , এবং আশা করি এটা আপনার বলিষ্ট শুরু , নিয়ে যেতে হবে দুর তেপান্তরে , এক একটা মাইল ফলক পার হবেন বলীষ্ট অহংকারে . সবাই কে একটা ব্যাপারই ভাবতে হবে " ব্রান্ডিং বংলাদেশ "

Friday, 9 December 2011

বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম মাণনীয় রেল মন্ত্রীকে স্বাগতম এবং একটা আকুল আবেদন ।

মাণনীয় মন্ত্রী , আমাদের পষ্চীম অন্চলীয় রেল নেট মূলত ব্রড গেজ , যশোর হয়ে কুষ্টিয়া , রাজশাহী তথা উত্তর অন্চল মোটামোটি সহজ গম্য, যশোর থেকে নওয়াপাড়া হয়ে খুলনায়ে ও সহজগম্য, এখন যশোর স্টেশনকে একটা বড়সড় জংশনে রূপান্তর করে একদম সরাসরি সুলতানের সৃতী বীজড়িত নড়াইল হয়ে লোহগড়া হয়ে ভাটিয়াপাড়র সঙ্গে যুক্ত করে ফরিদপুরের ভাংগা পর্যন্ত বিস্তৃত করতে পারলে পুরো দেশটাই বলা চলে একটা কার্য্যকর নেটওয়ার্ক মধ্যে চলে আসবে । সম্ভবত মাত্র ৮০ - ৯০ কিলো নুতন রেল লাইন গড়ে তুলতে হবে এই নতুন রুট চালু করতে , ভাটিয়াপাড়া হয়ে উঠতে পারবে বিশাল কর্ম বহুল ব্যস্ত একটা জংশন রুপে । একদিকে গোয়ালন্দ , কালুখালি ,থেকে এখানে ট্রেন এসে তার অন্য গন্তব্যে চলে জাবে আবার অন্য দিকে ভংগা থেকে যশোর, মাঝ খানে ভাটিয়াপাড়ায় ট্রন্জিট , মোটামোটি গোটা অন্চলটাই একটা বিশাল কর্মময় এলাকা হিসাবে গড়ে উঠবে অতি অল্প সময় । পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক আংশেই কমে আসবে , পন্য মূল্য নিয়ন্ত্রনে চলে আসার যথেষ্ট যৌক্তিক কারন সামনে চলে আসবে । তুলনামুলক দুর্ঘটনা কম বিধায় মানুষের দরতম স্হানে দ্রুত যাতায়ত স্পৃহা ব্যাপক ভাবে বেড়ে যাবে , দেখা দিবে অর্থনৈতীক প্রবৃধ্ধির এক অমীত সম্ভাবনার । আসুন নিজেকে ইষ্পাত কঠিন সম্প্রীক্ততায় এই প্রকল্পে উৎসর্গ করুন , ইতীহাসের অনিবর্য্য অংশ হয়ে যান হতদরিদ্র , ভাগ্যপ্রবন্চীত এতদ্ অন্চলের জনমানবের মুখে আনন্দের একটা নির্মল মূহুর্ত এনে দিন । আমাদেরকে স্মগর্জে বলে দেওয়ার সুযোগ করে দিন , লালু প্রসাদ যাদব বা মমতা ব্যানার্জীর চেয়ে আরো অনেক বেশী ডয়নামিক সুরন্জিৎ কে এ দেশ ধারন করে , লালন করে ।

Tuesday, 6 December 2011

গত ৪০ বৎছরে বাংলাদেশের উন্নয়নের সূচক সব নিরিখেই পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশী ।

পাকিস্তান যেই হারে যুক্তরাষ্টের আর্থিক সহায়তা পেয়ে আসছে গত চার দশকে সেই তুলনায় নির্দিধায় বলা যায় যে তেমন কনো উল্লেখ করার মত অব্বাহত সাহায্য ছাড়াই পরিশ্রমী বাঙ্গালী , মেধাবী বঙ্গালী , সৃজনশীল বঙ্গালী অনেক অনেক অংশে এগিয়েই আছে । বাঙ্গলীর এই অমীত সম্ভবনা অথচ তৎকালীন বন্চনার সেই প্রাপ্তি অনূভব করতেন রবীন্দ্রনাথ , অনূভব করতেন শেখ মুজীব , এই ব্যাপারে কেউ কি কোন সন্দেহ প্রকাশ করে ?

Friday, 2 December 2011

Karachi::Road to Drigroad to Mouripur - Sgt . কালাম সাহেব মাটিতে উপুড় হয়ে চেচাতে লাগলেন এক্খুনি air raid শুরু হবে তমরা মাটিতে শুয়ে পড়ছ না কেন !!

সন ১৯৬৫ , ৬ ই সেপ্টেম্বর সন্ধা পার হয় রাত শুরু হতে যাছ্ছে কেবল এমন সময় মৌরিপুর স্টেসনের ৪ নম্বর কেম্কের সামনে দাড়ায় আমরা ক জনা পুচকে দখ্খীন দিকের পাহাড় ছেড়ে আরো দুরে ক্যামারীর আকাশের উপর দয়ে ১০ - ১৫ টা লাল বাতি আমাদের ৪ নম্বর ক্যাম্প এর দিকে ধেয়ে আসছে আর সাথে সাথেই কান ফাটান সাইরেনের শব্দ , শুরু হয়ে গেল যে যেই দিকে পার দৌড়াবার পালা , তখনো ট্রেন্চ কারোরি তৈরী হয় নি সবে তো যুদ্ধ শুরু তাই , তবে বেস টলটলে জৎসনা ছিল বলে চারি দিকে সব পরিষ্কার দখা যাছ্ছিল ফলে কাউকে কারুর গায়ের এর উপর আছড়ে পড়তে হয়ে নি এই যা রখ্খে । দৌড় তো দিলাম বটে কিন্তু যেহেতু ট্রেন্চ ফ্রেন্চের তখনো কারুর কোন প্রস্তুতি নাই এই দিকে বাসায়ও ঢুকার কায়দা নেই কারন বিমান আক্রমন সতর্কিকরন সাইরেন মানেই হছ্ছে বাসার থেকে বের হয়ে নিরাপদ আস্রয় থাকা সতরাং , কিছু দুর দৌড়ায় বাসার কাছে এসে এক পর্যায় অশ্থির চত্তে এক পর্যায় কিংকর্তব্য বিমূড় ভাবে কিছুখ্খন দাড়ায় থাকতেই একটা চিৎকার শুনতে পেলাম এই তোমরা শুয়ে পড়ছ না কেন মাটিতে, শব্দের উৎসের দিকে তাকায় দেখি সার্জেন্ট কালাম কাকা মাটির সাথে সমান্তরাল হয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে আমাদের উদ্দেশ্শে চেচায় তারমত করে শুয়ে পড়তে বলছে সেই শক্ত মাটিতে , কি আর করা , অগত্ত তাই, সটান প্রপাত ধরণীর উপর , এই হল ১৯৬৫ র যুধ্ধের , শুধু তাই নয়ে , কোন আন্ত দেশীয় যুদ্ধের প্রথম প্রত্তখ্খ অভীঙতা ।