Friday, 9 December 2011

বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম মাণনীয় রেল মন্ত্রীকে স্বাগতম এবং একটা আকুল আবেদন ।

মাণনীয় মন্ত্রী , আমাদের পষ্চীম অন্চলীয় রেল নেট মূলত ব্রড গেজ , যশোর হয়ে কুষ্টিয়া , রাজশাহী তথা উত্তর অন্চল মোটামোটি সহজ গম্য, যশোর থেকে নওয়াপাড়া হয়ে খুলনায়ে ও সহজগম্য, এখন যশোর স্টেশনকে একটা বড়সড় জংশনে রূপান্তর করে একদম সরাসরি সুলতানের সৃতী বীজড়িত নড়াইল হয়ে লোহগড়া হয়ে ভাটিয়াপাড়র সঙ্গে যুক্ত করে ফরিদপুরের ভাংগা পর্যন্ত বিস্তৃত করতে পারলে পুরো দেশটাই বলা চলে একটা কার্য্যকর নেটওয়ার্ক মধ্যে চলে আসবে । সম্ভবত মাত্র ৮০ - ৯০ কিলো নুতন রেল লাইন গড়ে তুলতে হবে এই নতুন রুট চালু করতে , ভাটিয়াপাড়া হয়ে উঠতে পারবে বিশাল কর্ম বহুল ব্যস্ত একটা জংশন রুপে । একদিকে গোয়ালন্দ , কালুখালি ,থেকে এখানে ট্রেন এসে তার অন্য গন্তব্যে চলে জাবে আবার অন্য দিকে ভংগা থেকে যশোর, মাঝ খানে ভাটিয়াপাড়ায় ট্রন্জিট , মোটামোটি গোটা অন্চলটাই একটা বিশাল কর্মময় এলাকা হিসাবে গড়ে উঠবে অতি অল্প সময় । পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক আংশেই কমে আসবে , পন্য মূল্য নিয়ন্ত্রনে চলে আসার যথেষ্ট যৌক্তিক কারন সামনে চলে আসবে । তুলনামুলক দুর্ঘটনা কম বিধায় মানুষের দরতম স্হানে দ্রুত যাতায়ত স্পৃহা ব্যাপক ভাবে বেড়ে যাবে , দেখা দিবে অর্থনৈতীক প্রবৃধ্ধির এক অমীত সম্ভাবনার । আসুন নিজেকে ইষ্পাত কঠিন সম্প্রীক্ততায় এই প্রকল্পে উৎসর্গ করুন , ইতীহাসের অনিবর্য্য অংশ হয়ে যান হতদরিদ্র , ভাগ্যপ্রবন্চীত এতদ্ অন্চলের জনমানবের মুখে আনন্দের একটা নির্মল মূহুর্ত এনে দিন । আমাদেরকে স্মগর্জে বলে দেওয়ার সুযোগ করে দিন , লালু প্রসাদ যাদব বা মমতা ব্যানার্জীর চেয়ে আরো অনেক বেশী ডয়নামিক সুরন্জিৎ কে এ দেশ ধারন করে , লালন করে ।

No comments:

Post a Comment